ইভেন্ট রিভিউ
3MPC Event Review Page Template
মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে সংঘটিত এক দুঃসাহসিক অভ্যুত্থান, যা নাড়িয়ে দিয়েছিল ব্রিটিশ ভারতের শাসনভিত্তি।
গবেষণাপত্র, নথি বা রেফারেন্স ডকুমেন্ট
মাস্টারদা সূর্য সেন
নিজের ১৯৮৬ সালের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। অবরুদ্ধ ঢাকার এক মধ্যবিত্ত পরিবারের চোখে দেখা মুক্তিযুদ্ধ — নিজের লেখা উপন্যাস থেকে হুমায়ূন আহমেদের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। আগুনের পরশমণি দিয়েই তাঁর চলচ্চিত্র পরিচালনায় হাতেখড়ি, আর প্রথম ছবিতেই আসে জাতীয় স্বীকৃতি।
প্রেক্ষাপট
বিশ শতকের গোড়ায় চট্টগ্রামে গড়ে ওঠে একদল তরুণ বিপ্লবী, যাঁদের লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি। মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ধীরে ধীরে সংগঠিত হয় এই দল, আর পরিকল্পনা করা হয় শহরের দুটি প্রধান অস্ত্রাগার একযোগে দখলের।
ঘটনাপ্রবাহ
- ১৮ এপ্রিল, ১৯৩০ — রাত
১৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ একাধিক বিভাগে পুরস্কৃত হয় — শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী নির্বাচিত হন বিপাশা হায়াত। মুক্তিযুদ্ধকে একজন সাধারণ পরিবারের চোখ দিয়ে দেখানোর এই ধরন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বহু চলচ্চিত্রকে প্রভাবিত করেছে।
- একই রাতে
টেলিফোন-টেলিগ্রাফ ভবন ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে বিপ্লবীরা, যাতে খবর দ্রুত কলকাতা বা ঢাকায় পৌঁছাতে না পারে।
- পরবর্তী দিনগুলো
ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী তলব করা হলে বিপ্লবীরা আশ্রয় নেন জালালাবাদের পাহাড়ে।
একদল সাহসী তরুণ প্রমাণ করেছিলেন, সংগঠিত সংকল্পের সামনে সাম্রাজ্যও বিচলিত হয়।
তাৎপর্য
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন সেই সময়ের ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এটি প্রমাণ করে যে সংগঠিত পরিকল্পনা আর দৃঢ় সংকল্প নিয়ে অল্প সংখ্যক মানুষও একটি বিশাল সাম্রাজ্যিক শক্তির ভিত নাড়িয়ে দিতে পারে। চট্টগ্রামের এই ঘটনা পরবর্তী প্রজন্মের বিপ্লবী চেতনাকে দীর্ঘদিন প্রভাবিত করেছে।
দ্রুত তথ্য
ঘটনা: 1951
তারিখ: 1951
স্থান: 1951
নেতৃত্ব: 1951
সহযোগী: 1951
রিভিউ লিখেছেন
রিভিউয়ারের নাম
এসোসিয়েট মেম্বার, জেনারেশন সিক্স বিভাগ ও সেশন




